প্রসপেক্টাস
জেগে উঠুক মৃত সুন্নাহ্
সুন্নাহ্ জীবিতকরণ প্রকল্পে আপনিও শামিল হোন
আর নয় ঔষুধ! আর নয় অলটারনেটিভ মেডিসিন!! আর নয় আধুনিক মেডিসিন!!! আর নয় ফাংশনাল ফুড!!!!
সুন্নাহ্ ধরুন ঔষধমুক্ত জীবন গড়ুন
জীবনে এ্যালোপ্যাথিক, হোমিওপ্যাথিক বহুধরণের চিকিৎসাসেবা চলে আসছে যুগে যুগে কালে কালে। চৌদ্দশত বছরের পূর্বে নবীজি (সঃ) এর হারিয়ে যাওয়া সুন্নাহগুলো দিয়ে দেহের রোগগুলোকে চিরতরে নির্মূল করতে বাংলাদেশে এই প্রথম চালু হয়েছে সুন্নাহপ্যাথিক চিকিৎসা পদ্ধতি।
সুন্নাহ্প্যাথির লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য
বাস্তব অর্থে সেবা কোন বিক্রয়যোগ্য পন্য বা সামগ্রী নয়। শুনতে অপ্রিয় লাগলেও সত্যিকারার্থে দুনিয়াব্যাপী এই সেবাগুলো কেজির দরে বিক্রি হচ্ছে। সুন্নাহ্প্যাথিক ওয়েল ফেয়ার ট্রাস্ট এর দৃষ্টিতে সেবা হচ্ছে মানবতার কল্যাণে কোন ধরনের দুনিয়াবি স্বার্থ বা শর্ত ছাড়াই স্বতঃস্ফুর্তভাবে নিবেদিত এক অঙ্গিকার। ৫৭০খ্রিস্টাব্দে নবীজি (সঃ) এর জন্মের চেতনায় মানুষের রোগমুক্তির অন্যতম হাতিয়ার নবীজি (সঃ) এর খাদ্যাভাস ও লাইফস্টাইল এর মাধ্যমে বিনা ঔষধে রোগমুক্তির এই চিকিৎসা সেবাকে দেশময় ও আর্ন্তজাতিক অঙ্গনে ছড়িয়ে দেয়ার এক চিন্তা- চেতনায় বা ব্রত থেকেই বাংলাদেশে এই প্রথম সুন্নাহ্প্যাথিক ওয়েল ফেয়ার ট্রাস্ট এর জন্ম। জনস্বাস্থ্য বিষয়ে সুন্নাহ্ভিত্তিক লাইফস্টাইল সচেতনতা বৃদ্ধির মাধ্যমে স্বাস্থ্য সুবিধাকে মানুষের প্রত্যাশা ও প্রাপ্তির কাছাকাছি নেওয়া সুন্নাহ্প্যাথিক ওয়েল ফেয়ার ট্রাস্ট এর উদ্দেশ্য।
বিশ্বসাস্থ্য সংস্থা কর্তৃক (WHO)ডায়াবেটিসের ডায়েটপ্লান ও যোগব্যায়াম বনাম সুন্নাহভিত্তিক ডায়েটপ্লান ও যোগব্যায়াম
বিশ্বসাস্থ্য সংস্থা কর্তৃক নির্নিত ডায়েটপ্লান হচ্ছে আমেরিকা,যুক্তরাস্ট্র,ইউরোপিয়ান তথা দুনিয়ামুখি বিজাতীয় মানুষের যুগের সাথে তালমিলিয়ে জীবনযাত্রার আদলে তৈরী করা যাহা ইসলাম সমর্থন করে কিনা গভেষণার দাবি রাখে। অথচ নবীজি (সঃ) মানুষের খাদ্যাবাস সাজিয়ে দিয়ে গেছেন দুনিয়া ও আখেরাত কথা চিন্তা করে, কাফেররা আছে ভোগবিলাশে। মুসলিমরা দৈনিক ৩২রাকাত নামাজ পড়ার মাধ্যমে মহান রাব্বুল আলামিনের সন্তুষ্টি অর্জনের উদ্দেশ্যেরত থাকে বর্তমান বিজ্ঞানও পরিক্ষা-নিরিক্ষা করে প্রমান পেয়েছেন নামাজের মাধ্যেমে ক্যালরি খরচ হয়, শারিরিক ও মানসিক ব্যায়াম হয়। পশ্চিমারাতো আর নামাজ পড়েনা তারা নামাজের মধ্যে বিদ্যমান আইটেমগুলো নিচ্ছে ইয়োগা, মেডিশেন, দৈনিক ৩০মিটিন সাপ্তাহে কমপক্ষে ১৫০মিনিট ব্যায়াম, নাচগান, পিকনিকের নামে উলঙ্গ-অর্থউলঙ্গ হয়ে নারী-পুরুষ অবাদে সুইমিংফুল ও সমুদসৈকতে গাভাসিয়ে দেওয়ার মাধ্যমে। আমরা না বুঝে না জেনে তাদেরকে ফলো করতে যেয়ে জায়গা জায়গা হোঁচট খাচ্ছি আর অসুস্থ শরীর নিয়ে বিছানায় শুয়ে শুয়ে মৃত্যুর প্রহর গুনছি যাহা দেখে পশ্চিমারা করতালি দিচ্ছে। নামাজ পড়তে পড়তে নবীজি (সঃ) এর পা মোবারক ফোলে যেতো, আর আমরা ব্যায়াম করতে করতে পা ফোলাই। আসুন না রাস্তায় দৌড়ানোর সময়গুলোকে নামাজে বিনিয়োগ করি।
জীবন যাপনের বিজ্ঞান (The Science of living)
প্রতিটি শিশু জন্মগ্রহণ করে ইসলামের/দ্বীনের উপর অফুরন্ত শক্তি এবং সম্ভাবনা নিয়ে। কিন্তু মা, বাবা, পরিবার প্রচলিত সংস্কার ও ভ্রান্ত বিশ^াসের শৃঙ্খলে ক্রমান্বয়ে বন্দি হয়ে নিজেকে সে সঁপে দেয় ভাগ্যের হাতে। অথচ বাস্তবতা হচ্ছে- ব্যর্থতাকে সাফল্যে, রোগকে সুস্থতায়, হতাশাকে প্রশান্তিতে, বিষাদকে আনন্দে আর অভাবকে প্রাচুর্যে রূপান্তরিত করার সহজাত ক্ষমতা তার নিজের মধ্যেই রয়েছে। ভ্রান্ত বিশ্বাসের শৃঙ্খল ভেঙে সুপ্ত শক্তিকে জাগ্রত করার একমাত্র সহজ ও বিজ্ঞানসম্মত প্রক্রিয়াই হচ্ছে সুন্নাহ্ ভিত্তিক লাইফ স্টাইল ।
প্রশান্তি ও সুস্থতার সুন্নাহ্ নির্ভর পথ
নিত্যনতুন ভোগ্যপণ্য কেনার অসম প্রতিযোগিতা মানুষের জীবনকে করে তুলেছে অস্থির ও অনিশ্চিত (প্রত্যেক নামাজে স্বাজ খাও অপচয় করিও না)। বাড়িয়েছে টেনশন ও দুরারোগ্য রোগব্যাধি। ফলে আয়ের বড় অংশই চলে যায় ঔষধ ও চিকিৎসার পেছনে। সুন্নাহ্ ভিত্তিক লাইফ স্টাইল আপনাকে দিতে পারে মুক্তির পয়গাম।
ভার্চুয়াল ভাইরাসের এন্টি ভাইরাস হচ্ছে সুন্নাহ্ ভিত্তিক লাইফ স্টাইল
নিজের অজান্তেই আধুনিক মানুষ স্মার্টফোন, ইন্টারনেট এবং ফেসবুক টুইটার ইনস্টাগ্রাম ¯স্টারলিংক, মেটা ইত্যাদি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম কিংবা ভিডিও গেম, ইউটিউব, নেটফ্লিক্স বা সিরিয়াল আসক্ত হয়ে পড়েছে। মাদকের চেয়েও ভয়াবহ ভার্চুয়াল এই আসক্তি নষ্ট করে দিচ্ছে মায়ের কোলের শিশু,শিক্ষার্থী, তরুণ থেকে শুরু করে দাঁত পড়ে যাওয়া কবর জগতের অপেক্ষামাণ যাত্রী বৃদ্ধ জনগোষ্ঠীর অমিত সম্ভাবনা। আঘাত হেনেছে আমাদের চিরায়ত পারিবারিক বন্ধন ও সামাজিক বুননে। সুন্নাহ্ ভিত্তিক লাইফ স্টাইল আপনার ভার্চুয়াল আসক্তির ক্ষতিকর অভ্যাসচক্র ভেঙে গড়ে তুলবে লক্ষ্যাভিসারী প্রয়োজনীয় অভ্যাস। তাই সুন্নাহকে বলা যেতে পারে ভার্চুয়াল ভাইরাসের এন্টিভাইরাস।
সুন্নাহ্ ডায়েট (খাদ্য-পরিকল্পনা)
মানুষের খাদ্য-পরিকল্পনা জাতি ও ব্যক্তিভেদে ভিন্ন ভিন্ন হয়। মানুষের বয়স, ওজন, অঞ্চল, ও উচ্চতার মাধ্যমে নির্ণীত শারীরিক অবস্থা, লিঙ্গ, শারীরিক কর্মকান্ড ইত্যাদির ওপর নির্ভর করে যে খাদ্য পরিকল্পনা করা হয় তাকেই ডায়েট বলে। সুন্নাহভিত্তিক খাদ্যাভ্যাস বা ডায়েটের মাধ্যমে রোগীর দেহে কোলেস্টরল, ট্রাইগিøসারাইডের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ, খাবারে এন্টি-অক্সিডেন্টের অভাব পূরণ, ইনফ্লামেটরি, ডায়াবেটিস, অতি ওজন, উচ্চ রক্তচাপ ইত্যাদি নিয়ন্ত্রণ করা হয়। কারণ খাদ্য গ্রহণ পদ্ধতি সঠিক না হলে কোনো চিকিৎসা ফলপ্রসূ হয় না।
সুন্নাহ্ ভিত্তিক লাইফ স্টাইলই হচ্ছে মূলত জীবন বীমা
প্রতিটি শিশু জন্মগ্রহণ করে দ্বীনের উপর সুস্থ দেহ নিয়ে। শিশুর আগামীর দিনগুলোর স্বাস্থ্য সুরক্ষার জন্য আকিকার বিধান বাতলে দিয়েছেন নবীজি (সঃ) তাই আকিকা হচ্ছে স্বাস্থ্য সুরাক্ষার বীমা। শুধু দাঁত পরিস্কার ও ইবলীশকে খুশি করা নয় বরং দাঁত,মুখমন্ডল পরিস্কার ও আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য একমাত্র মেসওয়াকের বিধান বাতলে দিয়েছেন নবীজি (সঃ) তাই আর প্লাষ্টিকের ব্রাশ ও রাসায়ানিক টুথ পেষ্ট নয় মেসওয়াকই হচ্ছে মুখের ও দাঁতের বীমা। মানবদেহে ৩৬০টি হাড়ের জয়েন্ট রয়েছে নবীজি (সঃ) ঘোষণা দিয়ে গেছেন প্রত্যেহ দিনের শুরুতে ইশরাক, চাশত্, তাজবীহ, দান, কোরআন তিলাওয়াত ইত্যাদি কল্যাণকর আমলের মাধ্যমে জয়েন্টের সুরক্ষার বীমার কাজ করবে। তাই গানে গানে সকাল, সানি/সকালের দ্বিতীয়পর্বের ঘুম, রমনাবটমুল, ছায়ানট, মোঙ্গলশোভাযাত্রা, রাস্তায় রাস্তায় ব্যায়েমের নামে নারী-পুরষের দৌড় প্রতিযোগীতা পরিত্যাগ করে সুন্নাহভিত্তিক লাইফ স্টাইল আপনাকে দিতে পারে রোগমুক্ত সুস্থ জীবনধারা।
হালাল ও ত্বইয়্যেব বনাম হারাম ও খবিস (টক্সিন) খাবারই হচ্ছে সুস্থতার মূল চাবিকাঠি
আল্লাহর নিকট মানুষে তিনটি মৌলিক অধিকার রয়েছে। আবু আমর ইবনু আফফান (রাঃ) থেকে বর্ণিত, নবি কারিম (সঃ) বলেছেন, তিনটি জিনিস ব্যতীত আর কোনো জিনিসে বনি আদমের হক-অধিকার নেই। আর তা হলো-১. বসবাস করার মতো একটি বাড়ী। ২. শরীর ঢেকে রাখার জন্য কাপড়। ৩. খাওয়ার জন্য কিছু রুটি ও পানি। (জামিউত তিরমিজি: ১৩৩৬, মুসনাদু আহমাদ-১৭৪৭১) পবিত্র কোরআনে আল্লাহ পাক ঘোষণা দিয়েছেন দুনিয়াতে এমন কোন বিচরণশীল প্রাণী নেই যার রিজিকের দায়িত্ব আল্লাহ নেন নাই। ইবলিশের পক্ষ থেকে আদম (আঃ) এর উপর প্রথম হামলা শুরু হয়েছিল খাবার দিয়ে যার এ্যাকশন এখনও বিরামহীনভাবে চলমান রয়েছে। এখন আর শকূন চোখে পড়ে না কারণ গাবাদী পশুর মৃত্যুর হার বাড়লে ও মরা প্রাণীগুলো যাচ্ছে মানুষের পেটে, তাই খাবার না পেয়ে শকূন হয়তবা আমাজন জঙ্গলে ফেরৎ চলে গেছে। মনে করুন আপনি যদি আল্লাহর নিকট দোয়া করেন আয় আল্লাহ আমাকে ঔষধমুক্ত জীবন দান করুন তাহলে আল্লাহর পক্ষ থেকে ম্যাসেজ পাবেন কোরাআন-হাদিস অনুযায়ী রান্নাঘর সাজাও। সুন্নাহ্প্যাথির সেমিনারে শামিল হোন আমরা আপনার রান্নাঘর রাসুল (সঃ) এর মত করে সাজিয়ে দিবো ইনশাআল্লাহ।
সুখের সন্ধানে পৃথিবী
প্রশান্তি ও সুখের সন্ধানে বিশ^ব্যাপী চলছে ব্যাপক গবেষণা। বিজ্ঞানী ও গবেষকদের পরামর্শে বিশ্বের সেরা বিশ^বিদ্যালয়গুলো গত ২৫ বছরে ‘ সুখী জীবনের বিজ্ঞান’ নিয়ে চালু করেছে নানান কোর্স। ব্রিটিশরা বেডরুমে বসে বসে আইন বানাচ্ছে আমরা মিলিয়ন/বিলিয়ন পাউন্ড দিয়ে তাদের আইন কিনে নিচ্ছি আর তাদের আইন শিখার জন্য ব্যারিষ্টারি পড়তে যাচ্ছি তাদের দেশে। অথচ আল্লাহর আইন পাওয়া যাচ্ছে বিনে পয়সায়। প্রশান্তি ও সুখের জন্য হাসপাতালের দুয়ারে দুয়ারে ধরণা দিচ্ছি ডাক্তার বাবুদের দরবারে অথচ নবীজি (সঃ) ৯জন বিবিকে নিয়ে কলহ,ঝগড়া,অভিমান মুক্ত সংসার সাজিয়ে আমাদের চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিয়েছেন প্রশান্তি, সুখি ও সুস্থ্য জীবন সংসার কাকে বলে! রাসুল (সঃ) এর অন্যতম সেনাসদস্য হযরত আনাস (রাঃ) জীবিত থাকাকালিন ১০৩জন সন্তানকে নিজ হাতে দাফন করেও প্রশান্তি,সুখি ও সুস্থ্য জীবন সংসার চালিয়ে গেছেন। আমরা ঘুম, প্রশান্তি, সভ্যতা ও স্বাস্থ্যকর ডায়েটপ্লান আমদানি করতে পাড়ি দিচ্ছি দেশ-বিদেশে যেসকল দেশের কোটি কোটি নারী-পুরুষ এখনও যৌন-মিলন করে গোসল করেনা, পুরুষে পুরুষে মেলামেশা করে, খাবারের টেবিলে জগে থাকে পানির বদলে মদের আইটেম, যৌনআগ্রহ কমে যাবে বলে নাভির নিচের ও বগলের নিচের পশম পর্যন্ত পরিস্কার করেনা।
আমরা সুখের সন্ধানে কোর্স করতে যাচ্ছি Penn University of Pennsylvania US. Applied Positive Psychology.
1Year Course Fee USD 65538 (একবছরের কোর্স ৭৮,০০,০০০টাকা)
University of OXFORD US. Well-Being Disability and Enhancement.
5day Course Fee USD 2450 (৫দিনের কোর্স ৩,০০,০০০টাকা )
আমাদের দেশেও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান এই সার্ভিস দিচ্ছে হাজার থেকে কয়েক লক্ষ টাকার বিনিময়ে।
একমাত্র সুন্নাহ্প্যাথিতে আসলে পাবেন সম্পূর্ণ বিনে পয়সায় এই কোর্সগুলো। জীবন বদলের এ অভিযাত্রায় আপনি ও আগামী কোর্সেই শামিল হোন।
কেন কাউন্সেলিং
এক শীতের রাত। বাইরে প্রচন্ড ঝড়। জঙ্গলের মধ্যে পরিত্যক্ত ভাঙা বাড়িতে বাস করেন এক সুফি-সাধক। হঠাৎ গ্রিলভাঙা জানালা দিয়ে ঢুকে পড়ল একটি পাখি। বৃষ্টিতে ভিজে প্রায় অর্ধমৃত হয়ে গেছে। সাধক মাথার পাগড়ির দিয়ে পাখিটির গা মুছিয়ে দিলেন। হাতে তুলে আগুনের কাছে বসালেন। ভাঙা ডানায় কাঁচা হলুদ থেতলিয়ে লাগিয়ে কাঠি দিয়ে বাঁধলেন। মুখে খাবার তুলে দিলেন।
দিনের পর দিন সেবাযতেœ ধীরে ধীরে পাখিটির ডানা জোড়া লাগছে। পাখি ফিরে পাচ্ছে তার আগের শক্তি। কিছুদিনের মধ্যেই পাখি আবার উড়াল দিতে শুরু করল, আকাশে মনের আনন্দে ভেসে বেড়াতে লাগল। তারপর একদিন সেই ভাঙা জানালা দিয়েই পাখি উড়ে গেল আপন ঠিকানায়। সাধক আত্মতৃপ্তির সাথে সেদিকে চেয়ে থাকলেন।
মানুষের জীবনে যখন ঝড় আসে, চারদিকে যখন অন্ধকারাচ্ছন্ন হয়ে পড়ে, মন যখন ভেঙে যায়, তখন একজন কাউন্সিলরও গল্পের এই সাধকের মতোই সহানুভূতি ও সৎপরামর্শ দিয়ে আশার আলো জ¦ালান। যুগে যুগে কালে কালে মহামানবেরা কাউন্সিলিংয়ের এই মহান দায়িত্বে পালন করেছেন। মানুষ দুঃখ নিয়ে তাঁেদর কাছে এসেছে, দুঃখমুক্ত হয়েছে। অশান্তি নিয়ে এসেছে, প্রশান্তি নিয়ে ফিরে গেছে। রোগ নিয়ে এসেছে রোগমুক্তির সমাধানের সূত্র খুঁজে পেয়েছে। আসুন না আমরাও জীবন যুদ্ধের এই কাফেলায় শামিল হই।
তথ্যের আমানতদারী ও গীবতমুক্ত জীবন গড়ি
কখনো যদি মনে হয়, এই কথা ভেতরে রাখতে পারবেন না, তাহলে কেউ বলতে চাইলে শুনবেন না। শোনাতেও জোর করবেন না। অর্থ্যাৎ যা শুনেছেন, তা নিজের মধ্যেই আকড়িয়ে রাখুন। সার্বজনীন বিষয় না হলে কারো সঙ্গেই এ নিয়ে আলাপ করবেন না। নাম বলে তো নয়ই, নাম বোঝা যায় এমনভাবেও নয়। একই পরিবারের হলেও নয়। বর্তমান সমাজ ব্যবস্থায় গীবতনামের প্রকল্পটি আলোর গতির চাইতেও বহুগুন গতি নিয়ে সমগ্র দুনিয়ায় ধাবিয়ে বেড়াচ্ছে। দুনিয়ার সবচেয়ে সস্তার আইটেম এবং মাটির নিচের সংসারের সবচেয়ে ভারী ধাতু হচ্ছে গীবত।
সবর করতে শিখুন
দুর্যোগ ও বিপর্যয়ের পর প্রাকৃতিক নিয়েমেই ভালো সময় আসে। তাই সমস্যায় পড়ে গেলে তাৎক্ষণিক সমাধানের জন্যে উৎকন্ঠিত হবেন না। মহান আল্লাহ বলেছেন: সাহায্য প্রার্থনা কর সবর এবং নামাজের মাধ্যমে যদিও এই কাজ কঠিন। নিজে সবর করুন। তাহলে পরামর্শপ্রার্থীও আপনাকে দেখে সবর শিখবেন। সময়ের প্রবাহে ঘটনার জের শিথিল হতে থাকবে। মনও প্রশান্ত হবে । দুনিয়ার সমস্যার সামাধানও নাযিল হবে আসমান থেকে ইনশাআল্লাহ।
পরিশেষে নিয়তকে আবারও নবায়ন করুন বডি বিল্ডার্স হওয়ার জন্য না, খেলোয়াড় হওয়ার জন্য না, ম্যারাথন দৌড়বিদ হওয়ার জন্য না, নাটক-সিনেমার নায়ক হওয়ার জন্য না সুস্থ-সবল ও শক্তি সঞ্চয় করব মনভরে খুশু-খুযুর সহিত লম্বা সময় নিয়ে আল্লাহর সন্তুষ্টির উদ্দেশ্যে ইবাদত-বন্দেগী করার জন্য।
একটি ইমারত নির্মাণ করার জন্য দুইজন ইঞ্জিনিয়ারের কারিশমা লাগে একজন সিভিল ইঞ্জিনিয়ার অন্যজন আর্কিটেকট ইঞ্জিনিয়ার। সিভিল ইঞ্জিনিয়ারের কাজ হচ্ছে মাটির উপর বিল্ডিংটা দাড় করিয়ে রাখা। আর আর্কিটেকট ইঞ্জিনিয়ারের কাজ হচ্ছে বাড়ীটার ভিতরের ও বাহিরের দিকটাকে নান্দনিকভাবে ফুটিয়ে তোলা। ফরজ কাজগুলো হচ্ছে ইসলামে প্রবেশ করার গেট অর্থ্যাৎ সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং কাজের টাইপের আর সুন্নাহ্গুলো হচ্ছে আর্কিটেকট ইঞ্জিনিয়ারিং টাইফের যিনি যতবেশী সুন্নাহ্ পালন করবেন তার দেহের অভয়ব হবে নান্দনিক এবং জীবন নামের বিল্ডিংটা খুঁজে পাবে হারানো ষ্টেশন ইনশাআল্লাহ।
আল্লাহ রাব্বুল আলামিন মৃত পশুকে হারাম করেছেন ক্ষতিকর দিক বিবেচনা করে, মদকে হারাম করেছন উপকারের চাইতে ক্ষতি বেশী বলে, পাকপবিত্র থাকলে দেহে রোগনা রোগের জিবানুই খাকবেনা, সুন্নাহভিত্তিক খাবার না খাইলে সাতপাতিল খাবার খাইলেও পেট থাকবে হাঙ্গরের মত , পৃথিবীতে খাদ্য উৎপাদান যতই বাড়তেছে তৃপ্তির উপাদান ততই ঘাটতি হচ্ছে, এইগুলো পরিক্ষা করার মেশিন এখন ও বিজ্ঞান আবিস্কার করতে পারে নাই? জন পেনবারটন কোকোকোলার রেসিপি সিক্রেট রেখে গেছেন, পৃথিবীর অনেক আবিস্কারক অনেক তাদের থিউরি সিলগালা করে গেছেন, তাজমহলের ভিতরের বাতিটা নিভে যাওয়ার পরে আর কেউ জ¦ালাতে পারে নাই। অথচ কোরআন ও হাদিসের কোন পাসওয়ার্ড নেই চাইলেই সব পেয়ে যাবেন বিনে পয়শায় শুধু একটু মেহনত করলেই ব্রেইনের নিউরোনগুলো পঙ্গপালের মত খুলে যাবে যাবেই ইনশাআল্লাহ।
বিজ্ঞানের সাথে ঝগড়া-ঝাঠি নাকরে আসুন সুন্নাহ্ পালন করে জীবনকে প্রশান্তি ও প্রাণবন্তর করে তুলি।
Dr. Abdul Ajim
Founder & Chairman Sunnahpathic Welfare Trust.
